পাওনা টাকা চাওয়ায় অ*প’প্রচা’র ও মি’থ্যা সংবাদ স’ম্মেলনের অ’ভিযোগ, প্রতিবাদ জা’নালেন মোফাক্কারুল ইসলাম মিশন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদ এবং পরবর্তীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার বাসিন্দা মোফাক্কারুল ইসলাম (মিশন)। তিনি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা তার ব্যক্তি, সামাজিক ও পারিবারিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে।
প্রতিবাদলিপিতে মোফাক্কারুল ইসলাম (মিশন), পিতা মোঃ আলমগীর, গ্রাম হাজারীগঞ্জ, থানা চরফ্যাশন, জেলা ভোলা উল্লেখ করেন যে, গত ১১ জুন ২০২৬ তারিখে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদটি তার দৃষ্টিগোচর হয়। সংবাদে তাকে বিভিন্ন অনিয়ম, প্রতারণা এবং অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করা হলেও এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্যমতে, প্রকৃত ঘটনা হলো একটি আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ। তিনি জানান, মনপুরা উপজেলার চর-যতিন এলাকার বাসিন্দা মোঃ মাকসুদ এবং তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমের কাছে তার পাওনা রয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার ৮৪০ টাকা। দীর্ঘদিন ধরে পাওনা অর্থ ফেরত চেয়ে আসলেও টাকা পরিশোধ না করে উল্টো তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মোফাক্কারুল ইসলাম (মিশন) দাবি করেন, পাওনা টাকা ফেরতের জন্য চাপ সৃষ্টি করার পর থেকেই মাকসুদ ও তার স্ত্রী বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার শুরু করেন। এমনকি একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করারও চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাকসুদ ও তার স্ত্রীর বিভিন্ন বক্তব্য, তথ্য এবং কথোপকথনের কল রেকর্ড ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্তে প্রকৃত ঘটনার অনেক দিক উঠে এসেছে বলেও তিনি দাবি করেন।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, সংবাদ সম্মেলনে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে তার অধিকাংশই বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং ব্যক্তিগত ও আর্থিক বিরোধকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে তাকে জনসম্মুখে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
মোফাক্কারুল ইসলাম (মিশন) জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করবেন। তিনি বলেন, “আমি একজন সাধারণ মানুষ। আমার পাওনা অর্থ আদায়ের চেষ্টা করায় আমাকে মিথ্যা অভিযোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তার অধিকাংশই মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকর্মী তার বক্তব্য নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। ফলে একতরফাভাবে প্রকাশিত সংবাদে তার বক্তব্য উপেক্ষিত হয়েছে, যা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার নীতির পরিপন্থী।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রকৃত ঘটনা যাচাই-বাছাই করে সত্য উদঘাটনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
একই সঙ্গে তিনি পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দেওয়ার অনুরোধ জানান।
মোফাক্কারুল ইসলাম (মিশন) বলেন, “আমার কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ, লেনদেনের কাগজপত্র এবং সংশ্লিষ্ট নথি রয়েছে। প্রয়োজনে আমি তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে প্রস্তুত। সত্য একদিন প্রকাশিত হবেই।
তিনি তার বিরুদ্ধে পরিচালিত অপপ্রচার, মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।








