শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং :
ভোলায় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বঞ্চনাহীন এবং বৈষম্যহীন সমাজের জন্য লড়াই করেছি- তানিয়া রব। প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ধর্ষণ হুমকি ও নারী নিপীড়নের প্রতিবাদে ভোলা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল। প্রথমবারের মতো ভোলা সরকারি মহিলা কলেজে ছাত্রদলের কমিটি গঠন। ফ্যাসিস্ট সরকারের মামলা হামলায় নির্যাতিত সাবেক ছাত্রনেতা ভোলার কৃতি সন্তান মোঃ রকিবুল ইসলাম রাকিব। শিবপুর যুব কল্যাণ ফাউন্ডেশন ১৯-এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। প্রথম ভোট হোক ধানের শীষে তরুণদের উদ্দেশে আব্বাস উদ্দিন তানজিল। ভোলা জেলায় ‘আপ বাংলাদেশ’-এর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা। ছাত্রশিবির ভোলা শহর শাখার ষান্মাসিক রিপোর্ট পর্যালোচনামূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত।

ফ্যাসিস্ট সরকারের মামলা হামলায় নির্যাতিত সাবেক ছাত্রনেতা ভোলার কৃতি সন্তান মোঃ রকিবুল ইসলাম রাকিব।

মোঃ আশরাফুর রহমান (ইমন) / ৫৫০ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫
দৈনিক আলোর কাগজ

দৈনিক আলোর কাগজ

মোঃ আশরাফুর রহমান ইমন।

ভোলা জেলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস টার্মিনাল এলাকার কৃতি সন্তান ফ্যাসিস্ট সরকারের মামলা হামলায় নির্যাতিত সাবেক ভোলা জেলা ছাত্রদল নেতা বর্তমান ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গরিব-দুঃখী ও মেহনতি মানুষের সহযোদ্ধা, মোঃ রকিবুল ইসলাম রাকিব।  অনিষ্টকে বিনাশ করে দ্রুত পায়ে এগিয়ে যাচ্ছেন আলোর জগতে। তিনি চান ওই আলোকচ্ছটায় ভস্মীভূত হয়ে যাক সমাজের সকলের সব বাধা-বিপত্তি, প্রতিবন্ধকতা, কুসংস্কার, কুটিল আর যতকিছু আধার। জেগে উঠুক মানবতা, ভেসে যাক অন্যায়-অপবাদ, অপসংস্কৃতি আর যত অপরাধ।

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারা বিগত দিনের আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের দ্বারা মামলা হামলা নির্যাতন অত্যাচার সহ্য করে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের ৭ টি গায়েবী মামলার আসামি বার বার কারা নির্যাতিত, তৃণমূল থেকে উঠে আসা ভোলা আলীনগর ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ,ভোলা জেলার সাবেক ছাত্রদল নেতা, বর্তমান ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল নেতা গরিব-দুখী মেহনতির মানুষের জন্য কিছু করার প্রতিফলন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন, ঢাকা মহানগর উত্তর সহ ভোলা জেলা, এলাকার বাংলাদেশ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, শ্রমিকদলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীসহ সমাজের নিচুতলার মানুষ যারা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই বৈষম্যের শিকার, যারা দীর্ঘদিনের উন্নয়নবঞ্চিত, আদর্শয়ী নেতৃত্বের কারণে যারা সব রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত, যেসব মানুষ বিনা চিকিৎসায় ধুকে ধুকে মারা যায় যদিও সবার জন্য স্বাস্থ্য এবং সবার জন্য সমান চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবেন সরকার, কিন্তু সঠিক নেতৃত্বের অভাবে তারা তাদের প্রাপ্য সেই সেবা থেকে বঞ্চিত, এসব মানুষ আস্তে আস্তে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা মোঃ রকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে আগামীতে সমাজব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন। নবীন-প্রবীণ উভয় শক্তির সমন্বয়ে এক দুর্ভেদ্য মানবসমাজ গঠনের আশ্চর্য গুণের অধিকারী মোঃ রকিবুল ইসলাম রাকিব হবেন সামনের দুর্গম পথ চলায় তাদের পথের সাথী।

এ ব্যাপারে এলাকার একাধিক মানুষের কাছে মোঃ রকিবুল ইসলাম রাকিবের জনপ্রিয় উত্থানের গল্প শুনতে চাইলে তারা জানান, অসহায় কৃষিনির্ভর ও দরিদ্র এ এলাকার মানুষের সমস্যার কথা তিনি খুব সহজেই বুঝতে পারেন। কারণে-অকারণে সব সময় তাদের কাছে ছুটে যান, এলাকার মানুষের কোনো সমস্যা, দুর্ঘটনা, বিপদ-আপদের কথা শুনলেই তিনি ঢাকা থেকে ছুটে এসে ওইসব মানুষের পাশে দাঁড়ান। তার মুখে কেউ কখনও বিরক্তি বা রাগের কোনো লক্ষণ দেখেননি, বরং তিনি সব সময় হাসিমুখে অকৃপণ হাতে অর্থ ব্যয় করেন ভুক্তভোগী মানবসেবায়। মুসলমানদের ঈদ-পার্বণে, হিন্দুদের পুজা-অর্চনায় এবং খ্রিস্টানদের বড়দিনসহ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল দরিদ্র মানুষের উৎসব অনুষ্ঠানে অন্ন, বস্ত্র, নগদ টাকা দিয়ে পরম মমতায় তাদের পাশে দাঁড়ান। অপরদিকে শীতপ্রধান এ অঞ্চলের অসহায়, দুঃস্থ ও শীতার্ত গরিব মানুষের মাঝে প্রদান করেন শীতবস্ত্র।

এছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতা মোঃ রকিবুল ইসলাম রাকিবের তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠার পেছনে আর একটি বড় কারণ তিনি মসজিদ-মাদ্রাসাসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মুক্তমনে দান করেন। কন্যাদায়গ্রস্ত পরিবারকে সহযোগিতা করেন, মানুষের অসহায়ত্বের কথা শোনামাত্রই। সমাজের নিচুস্তরের মানুষ ও দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ অর্থ সহায়তা করেন এমন সংবাদ শুনলেই তিনি স্বয়ং অথবা ক্ষেত্রবিশেষে তার একঝাঁক অতি বিশ্বস্ত ও দক্ষ কর্মীবাহিনী ছুটে যায় সেখানে। এসব কারণে এ এলাকার মানুষের কাছে ভালবাসার এবং ভরসাস্থলে পরিণত হয়েছেন,

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতা মোঃ রকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, জিয়াউর রহমানের একজন আদর্শের সৈনিক হিসেবে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াই, বর্তমান  বাস্তবায়ন করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি নিয়ে, যাতে করে মানুষ বুঝতে পারে জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া তাদের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন। আমাদের বিএনপি নেতা কর্মীরা এলাকার জনগণের মাঝে তারেক রহমানের একটি বার্তাই পৌঁছানোর চেষ্টা করেন, যে তোমরা শান্তিতে ঘুমাও আমরা জেগে আছি তোমাদের পাহারায়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে স্বাবলম্বী করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছেন। তার এই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র সংস্কার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি সহ উন্নত রাষ্ট্র গঠনে ৩১ দফা ঘোষণা করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আমরা বিএনপি নেতা কর্মীরা সেই ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করছি।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি গণমনুষের রাজনৈতিক দল। তাই দলের প্রতিটা নেতাকর্মীকে গণমানুষের সাথে সম্পৃক্ততা বাড়াতে হবে। মানুষের ধার ধারে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সালাম পৌঁছে দিতে হবে। আমরা কেউ নেতা নই, আমরা সবাই বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কর্মী। দল থেকে যাকেই মনোনয়ন দেয়া হয়, আমরা সবাই তার পক্ষে কাজ করব। নেতা নয়, আমাদের উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য হলো ধানের শীষকে বিজয়ী করা।


এই বিভাগের আরো খবর

খবর খুজুন


এক ক্লিকে বিভাগের খবর

ক্যাটাগরি অনুসারে খুজুন