মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং :
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি প্রকল্প বাস্তবায়নে সংস্কার ও জবাবদিহিতা জোরদার করবে সরকার : জোনায়েদ সাকি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে মনপুরায় আলোচনা সভা ও সম্মাননা পাওনা টাকা চাওয়ায় অ*প’প্রচা’র ও মি’থ্যা সংবাদ স’ম্মেলনের অ’ভিযোগ, প্রতিবাদ জা’নালেন মোফাক্কারুল ইসলাম মিশন। আওয়ামী লীগের কর্মী আব্বাস কাজীকে নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে, ঈদ শুভেচ্ছার ব্যানার ঘিরে তোলপাড়: এমপি নয়নের ছবি ব্যবহার করে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণা। ভোলার রাজনৈতিক অঙ্গনের তিন কিংবদন্তি—মোশারফ হোসেন শাহজাহান, নাজির রহমান মঞ্জু ও তোফায়েল আহমেদ। এ কে এম নূর হোসেন হাওলাদারের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক ভোলার সদর উপজেলা শিবপুর ইউনিয়নের নেতৃত্বে নতুন মুখ, আলোচনায় মাহফুজুর রহমান পারভেজ। আইজিপি ব্যাচ পেলেন ভোলা ডিবির সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের চৌকস কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর এমদাদুল হক। সমকামিতার দায়ে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ জনের সিট বাতিল, কা’রাদণ্ড।

আওয়ামী লীগের কর্মী আব্বাস কাজীকে নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে, ঈদ শুভেচ্ছার ব্যানার ঘিরে তোলপাড়: এমপি নয়নের ছবি ব্যবহার করে চেয়ারম্যান পদে প্রচারণা।

/ ১০৯ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
দৈনিক আলোর কাগজ

দৈনিক আলোর কাগজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ৪নং জিন্নাগড় ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ব্যানারটিতে ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন-এর ছবি ব্যবহার করে ঈদের শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন আমিরুল ইসলাম (আব্বাস কাজী)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিরুল ইসলাম (আব্বাস কাজী) অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি বিএনপির পরিচয়ে এলাকায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ভোলা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব-এর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন আব্বাস কাজী। সে সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আব্বাস কাজীর সঙ্গে সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের একাধিক ছবি ভাইরাল হয়েছে। এসব ছবিতে তাদের একান্ত আলাপচারিতা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে অংশগ্রহণ এবং জ্যাকবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর দৃশ্য দেখা যায়। ছবিগুলো প্রকাশের পর নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আব্বাস কাজী দলীয় পরিচয় বদলে বিএনপির নাম ব্যবহার করছেন এবং বর্তমান সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়নের ছবি ব্যবহার করে নিজেকে বিএনপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। তাদের দাবি, এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আমিরুল ইসলাম (আব্বাস কাজী)-এর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক অবস্থান ও পরিচয় নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। তবে কোনো ব্যক্তি অতীত ও বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লে তা নিয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে, চরফ্যাশনের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অতীতের রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে কেউ কেউ নতুন পরিচয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগসমূহ স্থানীয় সূত্র, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বক্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর

খবর খুজুন


এক ক্লিকে বিভাগের খবর

ক্যাটাগরি অনুসারে খুজুন